রিজভী জয়,পাবনাঃ
ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী হত্যার বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে পাবনায় রাস্তায় নেমেছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। জেলা শহরের প্রধান সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভিনব এ প্রতিবাদ জানায় তারা। এ সময় যানজটে স্থবির হয়ে পড়া আব্দুল হামিদ রোডের এলোমেলোভাবে চলাচল করা যানবাহনগুলোকে মুহূর্তের মধ্যে সঠিক লেনে পাঠিয়ে রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে তারা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১২টার দিকে পাবনা জেলা স্কুল, কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজ ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। তারা সড়কে এলোমেলোভাবে চলা রিকশা, অটোবাইক মোটরসাইকেল চালকদের সুশৃঙ্খলভাবে চলার অনুরোধ করেন।
এ সময় সড়কে চলাচলকারীরাও তাদের অনুরোধে সাড়া দেয়। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই যানজটে স্থবির সড়কটিতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রতক্ষ্যদর্শী সাংবাদিক তপু আহমেদ জানান, একঝাঁক কিশোর আজ দেখিয়ে দিল শুধুমাত্র আইন মেনে চলা ও সঠিক প্রয়োগের মানসিকতায় সড়কে শৃঙ্খলা আনতে যথেষ্ঠ। সড়ক আটকে পার্কিং করায় তারা পুলিশের গাড়িও রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।
প্রতক্ষ্যদর্শী সাংবাদিক তপু আহমেদ জানান, একঝাঁক কিশোর আজ দেখিয়ে দিল শুধুমাত্র আইন মেনে চলা ও সঠিক প্রয়োগের মানসিকতায় সড়কে শৃঙ্খলা আনতে যথেষ্ঠ। সড়ক আটকে পার্কিং করায় তারা পুলিশের গাড়িও রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা পাবনা জেলা স্কুলের শিক্ষার্থী নিরব হোসেন জানায়, সড়কে প্রতিদিন হাজারো মানুষের প্রাণ গেলেও কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। বায়ান্ন, একাত্তরে ছাত্ররাই রক্ত দিয়েছে, স্বাধীনতা এনেছে। নিরাপদ সড়কের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না।
কালেক্টরেট হাইস্কুলের শিক্ষার্থী রাতিন হাসান বলেন, আমরা কোনো গাড়ি ভাঙচুর করতে চাই না, জ্বালাও পোড়াও করতে চাই না। কিন্তু আমরা সড়কে নিরপত্তা চাই। ঢাকায় আমাদের সহপাঠী হত্যার বিচার চাই।
শিক্ষার্থীদের অভিনব প্রতিবাদকে স্বাগত জানায় সাধারণ মানুষ। ঘটনাস্থলে আসেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উবাইদুল হক সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছাত্রদের বুঝিয়ে নিবৃত করতে চাইলে তারা রাস্তা ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে নাশকতা না করার শর্তে তাদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহযোগিতার অনুমতি দেন তারা।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির সাথে আমরা সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু শিক্ষার্থীদের এবং জনগণের নিরপত্তার বিষয়টিও আমাদের দেখতে হবে। আমরা চাই সড়কে নিরপত্তা ফিরে আসুক। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
কালেক্টরেট হাইস্কুলের শিক্ষার্থী রাতিন হাসান বলেন, আমরা কোনো গাড়ি ভাঙচুর করতে চাই না, জ্বালাও পোড়াও করতে চাই না। কিন্তু আমরা সড়কে নিরপত্তা চাই। ঢাকায় আমাদের সহপাঠী হত্যার বিচার চাই।
শিক্ষার্থীদের অভিনব প্রতিবাদকে স্বাগত জানায় সাধারণ মানুষ। ঘটনাস্থলে আসেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উবাইদুল হক সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছাত্রদের বুঝিয়ে নিবৃত করতে চাইলে তারা রাস্তা ছেড়ে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে নাশকতা না করার শর্তে তাদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহযোগিতার অনুমতি দেন তারা।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির সাথে আমরা সম্পূর্ণ একমত। কিন্তু শিক্ষার্থীদের এবং জনগণের নিরপত্তার বিষয়টিও আমাদের দেখতে হবে। আমরা চাই সড়কে নিরপত্তা ফিরে আসুক। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।


