রিজভী জয়ঃ
পাবনায় মধ্য শহরে সাত্তার বিশ্বাস ভবনে ভয়াবহ
অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
সোমবার (২০ আগষ্ট) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। শহরের আব্দুল হামিদ সড়কের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনটিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক, শো-রুম, রেস্তোরাঁ রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন আহত হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন জানান, ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সাত্তার বিশ্বাস ভবনের নিচতলা থেকে আগুন লেগে দ্রুত উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় আটকে পড়া পাঁচজন ব্যক্তিকে নিরাপদে বের করে আনা গেছে। তবে ভবনটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় বেশি লেগেছে।
তবে, অগ্নিনির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন বলেন, বড় ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনায় পাবনার ফায়ার সার্ভিস কতটা অদক্ষ তার প্রমাণ আজ আমরা পেলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের পানি শেষ হয়ে যায়। এরপর পানির ব্যবস্থায় সময় ক্ষেপণে আগুন বেশি ছড়িয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বহুতল এই ভবনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ব্যংকের শাখা রয়েছে। সেখানে রেস্তোরাঁর রান্নাঘর কিভাবে থাকে সেটাই বিস্ময়কর ব্যাপার।
মুদ্রণ ব্যবসায়ী তৌহিদ আলম জানান, ভবনের দোতালায় আমার প্রায় কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। কি অবস্থায় আছে কিছুই বুঝতে পারছি না। তবে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে।
পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই আমারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। জেলা পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় আমরা সর্বোচ্চ নিরপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস এবং প্রশাসন ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অগ্নিকাণ্ডে কারো গাফিলতির প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
সোমবার (২০ আগষ্ট) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। শহরের আব্দুল হামিদ সড়কের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনটিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক, শো-রুম, রেস্তোরাঁ রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন আহত হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন জানান, ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সাত্তার বিশ্বাস ভবনের নিচতলা থেকে আগুন লেগে দ্রুত উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় আটকে পড়া পাঁচজন ব্যক্তিকে নিরাপদে বের করে আনা গেছে। তবে ভবনটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় বেশি লেগেছে।
তবে, অগ্নিনির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন বলেন, বড় ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনায় পাবনার ফায়ার সার্ভিস কতটা অদক্ষ তার প্রমাণ আজ আমরা পেলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের পানি শেষ হয়ে যায়। এরপর পানির ব্যবস্থায় সময় ক্ষেপণে আগুন বেশি ছড়িয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বহুতল এই ভবনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ব্যংকের শাখা রয়েছে। সেখানে রেস্তোরাঁর রান্নাঘর কিভাবে থাকে সেটাই বিস্ময়কর ব্যাপার।
মুদ্রণ ব্যবসায়ী তৌহিদ আলম জানান, ভবনের দোতালায় আমার প্রায় কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। কি অবস্থায় আছে কিছুই বুঝতে পারছি না। তবে ফায়ার সার্ভিসের অদক্ষতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে।
পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই আমারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। জেলা পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় আমরা সর্বোচ্চ নিরপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস এবং প্রশাসন ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অগ্নিকাণ্ডে কারো গাফিলতির প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
