নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
মহাজনের ঋণ আর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন পাবনার তাঁতী সম্প্রদায়।
জেলার ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা এ শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। পাবনার নয় উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এ শিল্পের উপর নির্ভরশীল হলেও ক্রমাগত লোকসানে এর অস্তিত্বই আজ হুমকির মুখে।
তাঁতশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে তাঁতব্যাংক গঠন ও মধ্যস্বত্বভোগীদের তৎপরতা কমানোর দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ঠিক কতদিন আগে পাবনায় তাঁত শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল তার কোনো সঠিক তথ্য নেই।
জানা যায় জেলার নামকরণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এ শিল্প। ঐতিহাসিকদের মতে, পম্বাহ যার আভিধানিক অর্থ তন্তু থেকে পাবনা জেলার নামকরণ হয়েছে।
হান্ডিয়ালের বিবরণ থেকে জানা যায়, এখানেই কেবল কোম্পানি আমলে ভারতবর্ষের চার পঞ্চমাংশ রেশম আমদানি হতো। পাবনার সাদুল্লাপুর, সুজানগর, দোগাছি, শিবপুর, জালালপুর,গোপাল পুর সহ অনেক এলাকায় রয়েছে তাঁতী সম্প্রদায়।
একসময় পাবনার তাঁতের কাপড় কেনাবেচার মূলকেন্দ্র ছিল পাবনার আতাইকুলা হাট। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পূর্ব উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত নগরবাড়ী ঘাটের খুব কাছে অবস্থান হওয়ায় আতাইকুলা হাটের খ্যাতি ছিল দেশজুড়ে।
কিন্তু ২০০০ সালে নাব্যতা সঙ্কটে ফেরি পারাপার বন্ধ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। ফলে আতাইকুলা হাট হারায় তার অতীত জৌলুস।
