মুজিব কোট গায়ে দিয়ে কেউ দূর্নীতি করার সুযোগ পাবে না-মুলাডুলিতে পথসভায় পাঞ্জাব বিশ্বাস


ঈশ্বরদী প্রতিনিধিঃ
"ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার মাটিতে কেউ আর মুজিব কোট গায়ে দিয়ে দূর্নীতি করার সুযোগ পাবে না। যারা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি করেছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা দূর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন। এমপি মন্ত্রী যে যত প্রভাবশালীই হোক না কেন বঙ্গবন্ধুকন্যা কাউকেই ছাড় দিবেন না"

পাবনা-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পাঞ্জাব বিশ্বাস গতকাল শুক্রবার ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে পথসভায় ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক সহ তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, জাতির জনক দূর্নীতির বিরুদ্ধে হুংকার দিয়েছিলেন।সেদিন কিছু বিপথগামী রাজনৈতিক ব্যক্তির যোগসাজসে সেনাবাহিনীর কিছু ক্ষমতালোভী অফিসার আমার জাতির পিতাকে নির্মমভাবে ৭৫এর  ১৫ই আগষ্ট স্বপরিবারে হত্যা করে। সেই দূর্নীতিবাজদের পেতাত্মারা আবারো জননেত্রীর উন্নয়নকে ধ্বংস করতে তৎপর। গুটি কয়েক দূর্নীতিবাজের জন্য উন্নয়নের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অর্জন ম্লান হয়ে যাচ্ছে।  সময় এসেছে এদের বর্জন করার।

তিনি বলেন, আজ দেশের প্রায় ৮ কোটি মানুষ ইন্টারনেট চালায় এই ইন্টারনেট কে এনে দিয়েছে? কে এনে দিয়েছে মোবাইল ফোন? আমার দেশের কৃষক আজ ঢাকায় ফোন করে সবজীর দাম জেনে নিয়ে তারপর সেই সবজী ক্ষেত থেকে সংগ্রহ করছে।বাজার জেনে ফষল বিক্রি করে কৃষক লাভবান হচ্ছে। সবই সম্ভব হয়েছে প্রিয় নেত্রীর একান্ত প্রচেষ্টায়।

সাবেক সাংসদ পাঞ্জাব বিশ্বাস আরোও বলেন, দেশের কাজে নেত্রী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ভোর রাতে তাহাজ্জতের নামাজ দিয়ে শুরু করে সারাদিন দেশের কাজ করে গভীর রাতে যখন বনের পশু পাখিরাও শান্তির নিদ্রায় মগ্ন হয়ে যায় তখনো আমার নেত্রী কম্পিউটারে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অবস্থা সম্পর্কে খোজ খবর নেন। তার এই রোবটিক জীবনযাবন দেখে প্রখ্যাত সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান বলেছিলেন " শেখ হাসিনা ঘুমায় কখন?"। 


দেশের জন্য এত কাজ করেও কাংখিত উন্নয়ন আজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে গুটিকতক দূর্নীতিবাজদের জন্য। দেশের কাংখিত উন্নয়নের জন্য জননেত্রী এবার দূর্নীতিবাজ কাউকে মনোনয়ন দেবেন না। তাই প্রিয়নেতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আর নেত্রীর ডিজিটাল বাংলাদের বিনির্মানে আরোও ৫ টি বছর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন। আগামী সংসদ নির্বাচনে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রিয় নেত্রীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান তিনি। 

এসময় মাজপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যানের মাঝে বক্তব্য দেন, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আখতারুজ্জামান, মাজপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত আলী শেখ, উপদপ্তর সম্পাদক আঃমতিন মাষ্টার, যুবলীগের সহ-সভাপতি মিলন মন্ডল, কৃষকলীগনেতা আঃছালাম বাবুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম জ্যাক, মহাজোটের অন্যতম শরীকদল জাসদের আটঘরিয়া উপজেলা সভাপতি আঃজলিল, জেলা জাসদ নেতা জামাল উদ্দিন প্রমুখ। 

পথসভাচলাকালীন সেখানে বিপুল পরিমান লোকসমাগম ঘটে মুহুর্তেই পথসভা জনসভায় রুপ নেয়।  বিপুল পরিমান মানুষের জয় বাংলা স্লোগান সভাস্থলকে প্রকম্পিত করে বার বার জানান দিতে থাকে ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার মাটি আওয়ামীলীগের ঘাটি।