নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের নির্বাচনী এলাকা
পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া এলাকায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন বরাদ্দ লুটপাটের
অভিযোগ তদন্তে কমিটি করা হয়েছে।
পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
(এডিএম) মো. মোখলেছুর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি করা হয়।
জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিশ্চিত
করেছেন।
প্রসঙ্গত, ‘ভূমিমন্ত্রীর এলাকায় বরাদ্দ লুটপাটের মহোৎসব’ শিরোনামে
বৃহস্পতিবার যুগান্তরে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। তথ্যবহুল রিপোর্টটি
মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় হইচই ফেলে দেয়।
প্রতিবেদনে মসজিদ, মন্দির,
কবরস্থান, এতিমখানা সংস্কারের নামে দেয়া বরাদ্দ আত্মসাতের বিস্তর
তথ্য-প্রমাণ উঠে আসে। দুই উপজেলায় বরাদ্দ হওয়া মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও
এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অনেকেই অভিযোগ করেন, নামসর্বস্ব টাকা
দিয়ে বরাদ্দ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বরাদ্দ পুরোটাই তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ প্রতিষ্ঠানের কেউ জানেনই না। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে টিআর, কাবিখা, স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বরাদ্দ পুরোটাই তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ প্রতিষ্ঠানের কেউ জানেনই না। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে টিআর, কাবিখা, স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
এমনকি জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বরাদ্দের অংশ দেয়ার কথা
বলেও টাকা তুলে নেয়া হয়। আটঘরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত জাহিদুল
ইসলাম মুকুল বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করে এলাকায় বিপুল বিত্তবৈভবের মালিকও
হয়েছেন।
এ ছাড়া ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের এপিএস বশির আহমেদ বকুলের
বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার যুগান্তরে লুটপাটের
তথ্য প্রকাশ হলে আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদীর অনেকেই প্রতিবেদককে ফোন করে লুটপাটের
আরও চিত্র তুলে ধরেন। অনেকে জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়ার আগ্রহও
প্রকাশ করেছেন।
তথ্যসূত্রঃ যুগান্তর।
