সাঁথিয়ায় অগ্নিদগ্ধ মুক্তিকে আইসিইউতে স্থানান্তর, ঘটনার ৯ দিনেও গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামি


এস.এম.জহুরুল হক, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পাবনার সাঁথিয়ায় পূর্ববিরোধের জের ধরে মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের কলেজছাত্রী মেয়ে মুক্তি (২২) কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

আহত মুক্তি খাতুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে শরীরের ৬২ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনার সংবাদ আসতে পারে বলে বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মুক্তির ভাই নাছির উদ্দিন জানান।

এদিকে ঘটনার ৯ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আসামিকে গ্রেফতার করতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ দগ্ধ কলেজছাত্রী মুক্তির বাবা মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের।

তিনি বলেন, পেট্রোল ঢেলে মেয়েকে হত্যার চেষ্টায় মামলা করায় বিভিন্নভাবে আসামিরা হুমকি দিচ্ছে। তারা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে দেখে নিবে বলেও হুমকি দিয়ে আসছে। আমি ভয়ে বাড়ি থেকে সাঁথিয়া থানায় পুলিশের ভ্যানে যাতায়াত করছি। মামলার প্রধান আসামি নাগডেমরা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে সালাম ও কেসমত আলীর ছেলে জাহিদ আটক না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মোজ্জাম্মেল হক ঢুকরে কেঁদে বলেন, আমি এবং আমার পরিবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। 

এদিকে পেট্রোল ঢেলে প্রতিপক্ষের দেওয়া আগুনে দগ্ধ পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজের দর্শন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মুক্তি খাতুনকে ২৬ আগস্ট সকালে ঢাকা মেডিকেলের সাধারণ বেড থেকে আইসিইউতে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

সাঁথিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল মজিদ জানান, এলাকায় কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে এ লক্ষ্যে পুলিশ মোতায়েন আছে। বাদী পক্ষ সম্পূর্ণ নিরাপত্তায় রয়েছে।