আলোকিত সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ "প্রমিস ফাউন্ডেশন"


বিশেষ প্রতিনিধিঃ
১৬ কোটির এই বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি কিশোর-কিশোরী,তারা কি ভালো আছে? গবেষনায় দেখা যায় দেশের প্রায় ৮৫% কিশোর জড়িত রয়েছে মাদকের সাথে এবং প্রায় ৬৯% কিশোরী বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারে।

অপরিণত বয়সে মাদক এবং গর্বধারনের ফলে তৈরী হচ্ছে এক দূর্বল প্রজম্ম,অথচ একদিন এই প্রজম্মই চালাবে বাংলাদেশ! তখন কিভাবে চলবে বাংলাদেশ?

সমগ্র বাংলাদেশ যখন এমন একটি ভয়ংকর প্রশ্নের মুখোমুখি ঠিক তখনি আত্ব-উদ্যোগী তিন যুবকের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় একটি সংগ্রাম সংগঠন "প্রমিস-ফাউন্ডেশন"। 

আলোকিত সমাজ প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ এই শ্লোগান নিয়ে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রমিস-ফাউন্ডেশন।কার্যক্রমের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রধান সামাজিক সমস্যা বাল্যবিবাহ নিয়ে কাজ করতে থাকে প্রমিস-ফাউন্ডেশন। 

এরই ধারাবাহিকতায় 'আর নয় বাল্যবিবাহ, শিরোনামের একটি প্রজেক্ট চালু করে তারা।এই প্রজেক্টের আওতায় প্রতিটা গ্রাম মহল্লায় সচেতনতামূলক  উঠান বৈঠক, আলোচনা ও মতবিনিময় সভা, নাটক এবং ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করে যাচ্ছে প্রমিস-ফাউন্ডেশন। 


এছাড়াও স্থানীয়  স্কুলগুলোতে রয়েছে তাদের কিশোর-কিশোরী সুরক্ষা ক্লাব। কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় যুব সমাজকে মাদক থেকে বিরত রাখার জন্য নিয়মিত খেলাধুলা এবং মাদকবিরধী  পথসভা ও নাটক করে যাচ্ছে প্রমিস-ফাউন্ডেশন। বাল্যবিবাহ রোধে বিশেষ ভূমিকা রাখায় দেশ ও দেশের বাইরে ইতিমধ্যই প্রসংসিত হয়েছে প্রমিস-ফাউন্ডেশন। 

বর্তমানে এই সংগঠনের আওতায় প্রায় ৩০০ শতাধিক সদস্য কাজ করছে দিন বদলের সাথে সাথে এই সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।বাল্যবিবাহ ও মাদকের পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে নিয়মিতভাবে অসহায়দের সাহায্য বিতরন এবং দুস্থ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগীতা করে যাচ্ছে প্রমিস-ফাউন্ডেশন।

সকলের সহযোগীতা এবং ভালোবাসায় প্রমিস-ফাউন্ডেশন বর্তমানে সমাজ উন্নয়নে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে। প্রমিস-ফাউন্ডেশন স্বপ্ন দেখে একদিন বাংলাদেশ হবে বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত এবং পুরো পৃথিবীর জন্য এক মডেল আর যার নেপথ্যে থাকবে এইদেশের কিশোর-কিশোরীদের অবদান।