
রনি ইমরানঃ
নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রাণ হলো নদী। সেই নদীতে পানি না থাকলে প্রাণও অসহায়। বর্তমান সরকার নদী রক্ষায় ও নদী উদ্ধারে আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পাবনা শহরের পেটের ভিতরে বয়ে চলা এই ঐতিহ্যবাহী নদীটি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের কবিতায় ঠাঁই পাওয়া অপরূপ সৌন্দর্য্যরে সেই ইছামতি। দীর্ঘদিন যাবৎ একটু একটু অবহেলায় নদীটি এখন মৃত প্রায়।
তবে আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত এই নদীর খনন কাজ শুরু করা হবে। নদী দু’পাশে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দু’পাশ দিয়ে পাড় বাঁধিয়ে নদীতে পানি প্রবাহ সৃষ্টি করা হবে। পাড় ঘেঁষে বৃক্ষ রোপন ও পথচারীর চলাচলের রাস্তা তৈরী করা হবে।
আগামী প্রজন্মের কে বিশুদ্ধ পরিবেশ নির্মল বাতাসে পরিপূর্ণ নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঘেরা পরিবেশ করে দিতেই অতি দরকার শহরে বয়ে চলা ইছামতি খনন করা হবে।
বুধবার (৪ জুলাই) দুপুরে পাবনা শহরে নদী রক্ষ মানববন্ধন র্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন এর চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন এর সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন। সভায় বক্তারা ইছামতির দখলদারদের উচ্ছেদ করা সহ নদী সচল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাফিউল ইসলাম, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আমিরুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ইবনে মিজান, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, ওয়াকার্স পার্টি পাবনা জেলা সভাপতি জাকির হোসেন, প্রেসক্লাবের সম্পাদক আঁখিনুর ইসলাম রেমন, সমকাল, এনটিভির স্টাফ রির্পোটার এবিএম ফজলুর রহমান, সিনসার সম্পাদক মাহাবুব আলম, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুল উল আলম মুকুল সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন এর চেয়ারম্যান ইছামতি নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেন।