এস,এম জহুরুল হক, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পাবনার সাঁথিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকৃত স্বর্ণেরবার সহ ৪ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলো সাঁথিয়া বাজারের রতিশ কর্মকারের ছেলে তিলক কুমার কর্মকার (৪৭), তিলক কর্মকারের ছেলে তন্ময় কর্মকার (২২), করমজা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে কালু (৩০), পাইকান্দি খাঁনপুরা গ্রামের রওশন আলীর ছেলে মামুন সিকদার (৩৫)। পুলিশ গ্রেফতারকৃত তন্ময় কর্মকার ও কালু’র বাড়ি থেকে ২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে।
এ ব্যাপারে স্বর্ণের মালিক পুলক কুমার বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
বাদীর দেয়া মামলার এজহার সুত্রে জানা যায় গত ৩১মে সাঁথিয়া বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পুলক কুমার তার কর্মচারি বিশ্বনাথকে স্বর্ণ আনতে মানিকগঞ্জ পাঠায়।
এ খবর জানতে পেরে সাঁথিয়া বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী তিলক কুমারের ছেলে তন্ময় কুমার ওই কর্মচারির সাথে মানিকগঞ্জ যায়। তন্ময় কৌশলে মানিকগঞ্জে বিশ্বনাথকে রেখে চলে আসে।
বিশ্বনাথ স্বণের্র ৫টি বার ও ১ ভরি ওজনের ৫টি চুরিসহ মোট ৫৫ ভরি স্বর্ণ নিয়ে কাজিরহাট দিয়ে সাঁথিয়ায় সিএনজি যোগে ফেরার পথে কাশিনাথপুর সাঠিয়াকোলা রেল লাইনের পাশে সিএনজি’র গতিরোধ করে গ্রেফতারকৃত আসামীসহ ৬ জন এ সময় বিশ্বনাথকে মারপিট করে ব্যাগের মধ্যে রাখা চুরিসহ স্বর্ণের বার ছিনিয়ে নেয়।
খোজ নিয়ে জানা যায়, পুলক ও তিলক সহদর ভাই হওয়ায় এ ঘটনাটি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। গত রোববার স্বর্ণ ব্যবসায়ী পুলক কর্মকার বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিন বিকেলেই এএসপি(বেড়া সার্কেল) মিয়া মোহাম্মদ আশিষ বিন হাছান,ও সি তদন্ত আব্দুল মজিদ,এসআই আশরাফুলসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাঁথিয়া বাজার থেকে তিলকের ছেলে তন্ময়কে আটক করে। তার স্বীকারোক্তিতে নিজ বাড়ি থেকে ১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে ও তন্ময়ের বাবা তিলককে আটক করে।
পরে এদের দেয়া তথ্যর ভিত্তিতে উপজেলার করমজা থেকে স্বর্ণের ১টিবারসহ আব্দুর রহিমের ছেলে কালুকে ও আমিনপুর থানাধীন পাইকান্দি খানপুরা থেকে রওশন সিকদারের ছেলে মামুন সিকদার কে আটক করে।
এ ব্যাপারে রোববার রাতে পুলক কুমার বাদী হয়ে ৬জনের বিরুদ্ধে সাঁথিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।মামলা নং-৭,তারিখ ৮-৭-১৮ইং,ধারা ৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৫০৬/৩৪।
মামলার অপর দুই আসামী করমজা গ্রামের হারমালি দাসের ছেলে মুকুল,বেড়া বৃশালিকা গ্রামের দুলাল চন্দ্র সরকারের ছেলে রঞ্জন পলাতক রয়েছে। সাঁথিয়া থানার ওসি তদন্ত আব্দুল মজিদ জানান,পলাতক দুইজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
