প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন- পাবনায় নানক


মিজান তানজিল, পাবনাঃ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি বলেছেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দেশে এখন আইনশৃঙাখলা পরিস্থিতি ভালো, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, অর্থ, শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার উদাহরণ এই পাবনার উন্নয়ন। 

পাবনায় রুপপুর পারমানবিক বিদুৎ কেন্দ্র, ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেল লাইন প্রকল্প, বিল গাজনা প্রকল্প, মেরিন একাডেমীসহ ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে যা অন্য কোন সরকারের সময়ে হয় নাই। বাংলাদেশের উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে শেখ হাসিনার বিকল্প নাই।

মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দুপুরে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগামী ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাবনার জনসভা উপলক্ষে প্রতিনিধি সভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।


পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভুমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু এমপি এর সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি এর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হক টুকু এমপি,পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, আব্দুল হামিদ মাস্টার, আবুল কালাম আজাদ বাবু, চন্দন কুমার চক্রবর্তী, আবু ইসহাক শামীম, বেলায়েত আলী বিল্লু, বিজয় ভূষণ রায়, মনির উদ্দিন আহমেদ মান্না

জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আব্দুল মতীন খান, সাবেক এমপি পাঞ্জাব বিশ্বাস, মশিউর রহমান, আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, সোহেল হাসান শাহীন, এ্যাড.রবিউল আলম বুদু, অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবু, কামিল হোসেন, ব্যারিস্টার মোঃ সৈয়দ আলী (জিরু), আ স ম আব্দুর রহিম পাকন, সরদার মিঠু আহমেদ, শাওয়াল বিশ্বাস, আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, আশিকুর রহমান সবুজ, কামরুজ্জামান উজ্জল, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলিম, শাহীনুজ্জামান, যুবলীগ সভাপতি শরীফ উদ্দিন প্রধান, সাধারণ সম্পাদক রকিব হাসান টিপু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহব্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সুইট, যুগ্ন আহব্বায়ক ফাহিমুল কবির খান শান্ত, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিবলী সাদিক, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম সহ প্রমূখ।



সভায় আগামী ১৪ জুলাই পাবনা পুলিশ প্যারেড মাঠে জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করার লক্ষ্যে উপজেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, কৃষকলীগসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে জনসভায় যোগদানের জন্য নিদের্শ দেয়া হয়।