আটঘরিয়া প্রতিনিধিঃ
পাবনার আটঘরিয়ায় ভূমীমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠান বর্জন করেছে আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ এর অধিকাংশ নেতা কর্মী ও স্থানীয় জনগন।
গতকাল শনিবার ২রা জুন দুপুরে আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটেছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আঃ গফুর, চাঁদভা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ার হোসেন ও চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কামাল ছাড়া তেমন কোন দলীয় নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আঃ গফুর, চাঁদভা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ার হোসেন ও চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কামাল ছাড়া তেমন কোন দলীয় নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
জানা গেছে, সেচ্ছাচারীতা ও দূর্নীতির কারনে দলের অধিকাংশ নেতা কর্মী আস্থা হারিয়েছেন ভূমিমন্ত্রীর উপর। মন্ত্রীর সেচ্ছাচারীতায় দলের মাঝে দেখা দিয়েছে কোন্দল। বিগত ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে চটেছেন দলের অধিকাংশ নেতা কর্মী।
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলু শনিবার চাঁদভা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এ উপলক্ষে চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে ওই এলাকার সাধারণ জনগনেরও তেমন উপস্থিতি ছিলোনা।
উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রীত হলেও তিনি সেখানে যান নি। এছাড়া সেখানে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সংগঠনের কোন নেতা কর্মীদের অংশগ্রহনও লক্ষ করা যায় নি।
এ উপলক্ষে চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী। অনুষ্ঠানে ওই এলাকার সাধারণ জনগনেরও তেমন উপস্থিতি ছিলোনা।
উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রীত হলেও তিনি সেখানে যান নি। এছাড়া সেখানে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সংগঠনের কোন নেতা কর্মীদের অংশগ্রহনও লক্ষ করা যায় নি।
অভিযোগ আছে অনুষ্ঠান সফল করতে ইউনিয়নের কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচী ও ভিজিডি কার্ডধারী মহিলাদের ভয়ভিতি প্রদর্শন করে টাকার বিনিময়ে ও জোড়পূর্বক অনুষ্ঠানে নিয়ে আসা হয়।
আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পাবনাটাইমস কে জানান, চাদভা ভূমি অফিসের জন্য এলাকার জনগন টাকা তুলে নিজেদের অর্থে জমি কিনেছে। চাঁদভায় ভূমি অফিস স্থাপনে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল বরাবর বিরোধিতা করে এসেছে এই বিষয়ে মামলাও দিয়েছে কিন্তু হটাৎ করে তিনি ভূমিমন্ত্রীকে নিয়ে এসে ভুমি অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সাধারণ জনগণ এই অনুষ্ঠান বর্জন করেছে।
তিনি আরো জানান, উক্ত অনুষ্ঠানে চাদভা ইউনিয়নের ভিজিডি কার্ডধারি ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ করা মহিলাদের ভয়ভিতি প্রদর্শন করে অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। শুনেছি সেখানে কার্ডধারী মহিলা ও উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন থেকে নিয়ে আসা লোক সব মিলিয়ে সেখানে ১০০-১৫০ লোক সমাগম হয়েছিলো। জনবিচ্ছিন্ন এমন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করে তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পাবনাটাইমস কে জানান, মহিলাদের টাকা পয়সা বা ভয়ভিতি দেখিয়ে অনুষ্ঠানে নিয়ে আসার অভিযোগটি ভিত্তিহীন। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে হেও করার প্রয়াসে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। চাঁদভায় ভূমি অফিস হওয়াতে আমি ও চাঁদভার জনগন খুব খুশী। তারা খুশি মনেই অনুষ্ঠানে এসেছে। মন্ত্রীমহোদয় বিপুল পরিমান লোকসমাগম দেখে খুশি হয়েছেন।
দলের স্থানীয় নেতা কর্মীরা মনে করেন মন্ত্রী মহোদয় এইরূপ জনবিচ্ছিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। তার বিগত দিনে্র কৃতকর্মের ফলে আওয়ামীলীগ বহুধা বিভক্ত হয়েছে। দলীয় কর্মী খুন হয়েছে দলের হাতে। বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। অগনিত কর্মী মামলা মোকর্দ্দমায় জড়িয়ে দলকে জনগণের সামনে হাস্যকর পরিনতির দিকে নিয়ে গেছেন। যার প্রভাব আগামী সংসদ নির্বাচনে পড়বে বলে মনে করেন তারা।
![]() |
| অনুষ্ঠানে আসা ভিজিডি কার্ডধারী ও কাবিখা প্রকল্পের মহিলাদের একাংশ |
আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পাবনাটাইমস কে জানান, চাদভা ভূমি অফিসের জন্য এলাকার জনগন টাকা তুলে নিজেদের অর্থে জমি কিনেছে। চাঁদভায় ভূমি অফিস স্থাপনে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল বরাবর বিরোধিতা করে এসেছে এই বিষয়ে মামলাও দিয়েছে কিন্তু হটাৎ করে তিনি ভূমিমন্ত্রীকে নিয়ে এসে ভুমি অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সাধারণ জনগণ এই অনুষ্ঠান বর্জন করেছে।
তিনি আরো জানান, উক্ত অনুষ্ঠানে চাদভা ইউনিয়নের ভিজিডি কার্ডধারি ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ করা মহিলাদের ভয়ভিতি প্রদর্শন করে অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। শুনেছি সেখানে কার্ডধারী মহিলা ও উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন থেকে নিয়ে আসা লোক সব মিলিয়ে সেখানে ১০০-১৫০ লোক সমাগম হয়েছিলো। জনবিচ্ছিন্ন এমন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে করে তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাঁদভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পাবনাটাইমস কে জানান, মহিলাদের টাকা পয়সা বা ভয়ভিতি দেখিয়ে অনুষ্ঠানে নিয়ে আসার অভিযোগটি ভিত্তিহীন। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে হেও করার প্রয়াসে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। চাঁদভায় ভূমি অফিস হওয়াতে আমি ও চাঁদভার জনগন খুব খুশী। তারা খুশি মনেই অনুষ্ঠানে এসেছে। মন্ত্রীমহোদয় বিপুল পরিমান লোকসমাগম দেখে খুশি হয়েছেন।
দলের স্থানীয় নেতা কর্মীরা মনে করেন মন্ত্রী মহোদয় এইরূপ জনবিচ্ছিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। তার বিগত দিনে্র কৃতকর্মের ফলে আওয়ামীলীগ বহুধা বিভক্ত হয়েছে। দলীয় কর্মী খুন হয়েছে দলের হাতে। বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। অগনিত কর্মী মামলা মোকর্দ্দমায় জড়িয়ে দলকে জনগণের সামনে হাস্যকর পরিনতির দিকে নিয়ে গেছেন। যার প্রভাব আগামী সংসদ নির্বাচনে পড়বে বলে মনে করেন তারা।

