২ লাখ মানুষের ১জন চিকিৎসক বেহাল দশায় আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স


মোঃ জিল্লুর রহমান রানা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র এর চিকিৎসা ব্যবস্থার বেহাল দশা হয়ে পড়েছে। চিকিৎসক সংকটে খঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে উপজেলার ২ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা নেয়ার একমাত্র হাসপাতালটি। 

উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ২লক্ষাধিক মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র ১ জন চিকিৎসক তাও আবার বিশেষ ভাবে রাখা হয়েছে। 

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, আটঘরিয়া উপজেলার ২ লক্ষাধিক জনগণের জন্য ৩১ শয্যবিশিষ্ট হাসপাতাল রয়েছে। যে হাসপাতালে স্থানীয়ভাবে এসকল জনসাধারণ চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৪-৫ মাস যাবত ১১জন চিকিৎসকের জায়গায় মাত্র ১জন চিকিৎসক রয়েছে।

আটঘরিয়া উপজেলার পাটেশ্বর গ্রামের ভুক্তভোগী মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, এখানে এসে ডাক্তার পাওয়া যায়না, চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়না, শুধু এত্তবড় দালান বানিয়ে রাখছে।

উপজেলার মতিগাছা গ্রামের রুবিয়া বেগম জানায়, এখানে আসি ডাক্তারের কাছে কিন্তু একজন ডাক্তার কোন মহিলা ডাক্তার নাই। সকালে আইসা লাইনে ঘন্টার পার ঘন্টা দারায়ে থাকতে হয়।

আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মোঃ আবুল হোসেন এসকল অভিযোগ স্বীকার করে জানান, এই হাসপাতালে মোট ১১জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও দীর্ঘ প্রায় ৪-৫ মাস যাবত মাত্র ১জন চিতিৎসক দ্বারা ২ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাও আবার সিভিল সার্জন অফিস থেকে ডা. মোঃ নুরুজ্জামানকে আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসাবে বিশেষ ভাবে এনে রাখা হয়েছে।

তিনিও সামনের জুন-জুলাই মাসে বিশেষ কারণে চলেযেতে হবে। তিনি আরও বলেন ডাক্তার সংকটে হাসপাতাল পরিচালনা করতে আমাকে হিমসিম ক্ষেতে হচ্ছে।

এবিষয়ে আটঘরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম রতন বলেন, আমার আটঘরিয়ার ২ লক্ষাধিক জনগণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 আমি কয়েকবার ডিডি ও সিভিল সার্জনকে সমস্যার কথা জানিয়েছি কিন্তু কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। তার পরেও আমি মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সরণাপন্ন হব।

এদিকে আটঘরিয়া উপজেলার আপামোর জণসাধারণ এর দাবী হাসপাতালের ডাক্তার সংকট নিরসন করে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।