ঈশ্বরদী প্রতিনিধিঃ
ঈশ্বরদীতে ৩ মাস ধরে শূন্য রয়েছে ভূমি কর্মকর্তা বা সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) পদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এই দায়িত্বে থাকলেও বিভিন্ন কাজের চাপে তিনি যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছেন না। ভূমি কর্মকর্তা বা সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) ভূমিসংক্রান্ত সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পাবনা জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সালমা খাতুন জানান, এসিল্যান্ড না থাকার কারণে সমস্যার বিষয়টি জেলা প্রশাসক প্রতি মাসেই সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে জানিয়ে আসছেন। তবে দুই একদিনের মধ্যেই কর্মকর্তার পদায়ন হবে।
ঈশ্বরদী এসিল্যান্ড কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ এসিল্যান্ড শিমুল আক্তার চলতি বছরের ৬ মার্চ বদলি হন। এরপর নতুন কাউকে ওই শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট জানান, এসিল্যান্ড কর্মকর্তারা সরকারি, অর্পিত, পরিত্যক্ত ও খাসজমির পাশাপাশি সরকারি হাটবাজার,জলমহাল ও ফলদ বাগান ব্যবস্থাপনা করে থাকেন। ভূমি নিবন্ধন, নামপত্তন,নামজারিসহ জমিজমাসংক্রান্ত কাজেও জমির মালিকেরা এসিল্যান্ড অফিসে আসেন।
ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পত্রে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভূমি সংস্কার ও ভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। ভূমি ও রাজস্ব প্রশাসনের বিষয়ে জনগণ এখন স্থানীয় অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করেন।
এ ছাড়া সুষুম ও স্বচ্ছ ভূমি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ভূমিসংক্রান্ত রেকর্ড কম্পিউটারাইজড করার স্বল্পমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কাজের সঙ্গে এসি ল্যান্ডরা সরাসরি যুক্ত।
ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পত্রে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভূমি সংস্কার ও ভূমির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। ভূমি ও রাজস্ব প্রশাসনের বিষয়ে জনগণ এখন স্থানীয় অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করেন।
এ ছাড়া সুষুম ও স্বচ্ছ ভূমি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ভূমিসংক্রান্ত রেকর্ড কম্পিউটারাইজড করার স্বল্পমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কাজের সঙ্গে এসি ল্যান্ডরা সরাসরি যুক্ত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল মামুন বলেন, সরকার এসিল্যান্ডের শূন্য পদে কর্মকর্তা নিয়োগ দিলে ইউএনও ভারমুক্ত হবেন। তাতে মাঠ প্রশাসনেও আরও গতিশীলতা আসবে।
