পাবনার ১১টি মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ


বার্তাকক্ষঃ
শিক্ষা কর্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে অগ্রগতি নেই, কোনও শিক্ষার্থী নেই, এমনকি দু’একজন শিক্ষার্থী থাকলেও পাবলিক পরীক্ষায় পাস করতে পারে না বছর থেকে এসব মাদরাসায় আর শিক্ষা কার্যক্রম না চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্তর্গত বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড সারাদেশের এমন ২০২টি মাদরাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে পাবনার ১১টি মাদরাসা রয়েছে। এসব মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের আশেপাশের স্বীকৃত মাদরাসাগুলোতে রেজিস্ট্রেশন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৩০ মে) মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই ২০২ টি মাদরাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। পরে এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েব সাইটেও নোটিশটি প্রকাশ করা হয়েছে।
পাবনার ৫টি মাদরাসা হলো- চাটমোহর উপজেলার সোনাহার পাড়া দাখিল মাদরাসা, কতেঙ্গা গোরস্তান দাখিল মাদরাসা, দোলং মহিলা দাখিল মাদরাসা, কৃষ্ণপুর মহিলা দাখিল মাদরাসা ও নারিকেল পাড়া মডেল এতিমখানা দাখিল মাদরাসা।

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী দাখিল মাদরাসা, আলোকচর সিদ্দিকী আহমেদিয়া দাখিল মাদরাসা ও আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান দাখিল মাদরাসা।

সাঁথিয়া উপজেলার রতনপুর মহিলা দাখিল মাদরাসা ও বৃহস্পতিপুর দাখিল মাদরাসা এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলার কালকাটি দাখিল মাদরাসা।
 
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম সাইফুল্লাহ জানান, ‘এসব মাদরাসায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ ছিল। তাদের কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়েও ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। পরে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তাতেও সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব কারণে মাদরাসাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

মাদরাসা বন্ধের নোটিশে বলা হয়েছে, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের দাখিল পরীক্ষায় কোনও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেনি। এর কারণ জানতে চেয়ে মাদরাসা প্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। অনেকেই এর জবাব দেননি। যারা জবাব দিয়েছে তাতে বোর্ড সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

এ কারণে এসব মাদরাসার অনুমতি ও একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলসহ অনলাইনে পাসওয়ার্ড, মাদরাসার কোড নম্বর ও ইআইআইএন নম্বর বন্ধ করে দেয়া হলো।