বার্তাকক্ষঃ
বর্তমানে আধুনিক পোশাকের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ টাই। শুধু আধুনিক ফ্যাশনে নয়, অতীতেও এর ব্যবহার ছিল বেশ।
কালের পরিক্রমায় এতটুকু কমেনি টাইয়ের কদর।
এ বিষয়কেই পুঁজি করে বাহারি টাই বানিয়ে ব্যবসা সফল হয়েছেন পাবনার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আমিনুল ইসলাম।
পাবনার নিজ বাড়িতে বসে ক্ষুদ্র পরিসরে টাই তৈরির মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করেন আমিনুল।
তিনি বলেন, এখন তার টাইয়ের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। তার তৈরি টাই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদসহ বিচারপতিরা ব্যবহার করছেন।
এ ছাড়া নৌ, বিমান ও সেনাবাহিনীর প্রধানরাসহ অন্য কর্মকর্তারা ব্যবহার করছেন।
তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি সহ মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও তার টাই পরছেন। দেশের বাইরে উপহার দিতে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।
বাংলাদেশের মানচিত্র, পতাকা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্থাপত্যশৈলীসহ নানা নিদর্শনে তৈরি করা এসব টাইয়ের কদর বাড়ছে।
পাশাপাশি করপোরেট হাউসগুলোতে সবার জন্য একই রকম টাই তৈরি করার অর্ডারও পাচ্ছেন তিনি।
এ ছাড়া নৌ, বিমান ও সেনাবাহিনীর প্রধানরাসহ অন্য কর্মকর্তারা ব্যবহার করছেন।
তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি সহ মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও তার টাই পরছেন। দেশের বাইরে উপহার দিতে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।
বাংলাদেশের মানচিত্র, পতাকা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্থাপত্যশৈলীসহ নানা নিদর্শনে তৈরি করা এসব টাইয়ের কদর বাড়ছে।
পাশাপাশি করপোরেট হাউসগুলোতে সবার জন্য একই রকম টাই তৈরি করার অর্ডারও পাচ্ছেন তিনি।
প্রতিটি টাইয়ের দাম পড়ছে ২০০ থেকে ৭৬০ টাকা। তিনি বলেন, শুধু দেশের বাজারে নয়, রফতানির জন্য অর্ডার এলেও দিতে পারছেন না তিনি।
রফতানির প্রতিটি অর্ডার ১ লাখ থেকে ২ লাখ পিসের বেশি হওয়ায়- এত সরবরাহ দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়নি।
এ কারণে তিনি ব্যবসার পরিসর ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছেন। বর্তমানে ১০০ নারী ও ২০ পুরুষ কর্মী দিয়ে চলছে তার কারখানা।
ব্যাংক ঋন সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পেলে তার এই কারখানার পরিধি বাড়াতে চান তিনি।
এ কারণে তিনি ব্যবসার পরিসর ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছেন। বর্তমানে ১০০ নারী ও ২০ পুরুষ কর্মী দিয়ে চলছে তার কারখানা।
ব্যাংক ঋন সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পেলে তার এই কারখানার পরিধি বাড়াতে চান তিনি।
