একজন নিষ্টাবান ইউএনও ও শিশু শ্রমিক সুমি'র বদলে যাওয়া জীবন


সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ
সুমি খাতুন। পিতা মোঃ জুয়েল শেখ। বয়সটা ১১ বছর। শিশুকালে বাবা-মাকে হারিয়ে নানীর সাথে বদলী হিসেবে কাজ করে। 

দিনটা ১১ এপ্রিল বুধবার। সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়নে চলছিল ৪০ দিনের কর্মসূচী। কার্যক্রম পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। ১০৮ জন শ্রমিকের মাঝে একজন শিশু কাজ করছে। 

বিষয়টি চোখে পড়া মাত্রই তিনি তার বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন এত ছোট মেয়ে কাজে কেন? সবাই উত্তর দিল বাবা-মা নাই, নানীর সাথে বদলী হিসেবে কাজ করে।

কেন পড়ালেখা করে না এমন জবাবে সবাই বলে অভাবের কারণে। সাথে সাথে নিজ গাড়িতে তুলে স্কুলে ভর্তি করালেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। 

সুমি খাতুন এখন সোনাতলা পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। চতুর্থ শ্রেণিতে তার রোল নং ২৬। সুমি এখন আর কাজ করবে না। 

সুমির পড়াশোনার সকল দায়িত্ব তুলে নিলেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সুমির মত সকল শিশু শ্রমিক বা দরিদ্র শিশুকে স্কুলমুখী করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।