বার্তাকক্ষঃ
শ্রেষ্ঠ স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পাবনার ভাঙ্গুড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলাম হাসনাইন রাসেল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এর নিকট থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেছেন। গতকাল (৬ মার্চ) মঙ্গলবার বিকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পুরষ্কার তিনি গ্রহণ করেন। এনিয়ে শিক্ষিত ও সুধী মহলে চলছে আলোচনা।
জানা গেছে, বিশিষ্ঠ শিক্ষানুরাজ্ঞী গোলাম হাসনাইন রাসেল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নিজ খরচে ওই বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু,সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পোশাক পরিচ্ছেদ ও খাতা কলম দেওয়া, খেলা ধূলার বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সাথে নিয়মিত ভবা সমাবেশ করা – এ সকল বিষয় নিয়ে তিনি সকলের কাছে আরও গ্রহণ যোগ্য ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।
শিক্ষানুরাজ্ঞী ও ভাঙ্গুড়া এলাকার প্রিয় এই মানুষটি ১৯৭৭ সালে পৌর সদরের সরদারপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দাদা আলহাজ্ব মৃত মহসীন আলী এ এলাকার একজন দানবীর ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তার পিতা আলহাজ্ব মো. মকবুল হোসেন পাবনা-৩ আসনের পরপর দু’বারের সংসদ সদস্য। তিনিও এলাকায় একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। মুলত পিতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক দর্শন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল। ১৯৯১ সালে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে ঢাকার তেজগাঁও কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯৫ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন।
পড়াশোনা শেষ করার পর বাবার ব্যবসার হাল ধরেন। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে খুব তাড়াতাড়ি পরিচিতি লাভ করেন।
কিন্তু গণদাবীর মুখে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ভাঙ্গুড়া পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন গোলাম হাসনাইন রাসেল । মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল এলাকাবাসীর কাছে একজন সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত অনিচ্ছা সত্বেও অনেকটা জোরপূর্বক দলের নেতাকর্মীরা তাকে নির্বাচনে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। ভোটের আগে পৌরবাসীকে যে কয়েকটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ভাঙ্গুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।
আর এই প্রায় দুই বছরের মাথায় তিনি প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জেলা পর্যায়ে। তার পর রাজশাহী বিভাগেও তিনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জাতীয়ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। সর্বশেষে সারা বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগের মধ্যেও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।
সেই স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষা পদক ২০১৭ এর সারা বাংলাদেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পুরস্কারটি মহামান্য রাষ্ট্রপতির হাত থেকে তিনি গ্রহণ করেন।
