অবশেষে ছাড়া পেল পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) চার শিক্ষার্থী।
গতকাল পাবনা সদর থানা থেকে তারা ছাড়া পেয়েছেন। থানা সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
"নেশার টাকা না পেয়ে চার ছাত্রকে মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ’— এমন সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা হাসিবুর রহমান ও বাংলা বিভাগের প্রধান মুচলেকা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নেন। তা
তারা পুলিশকে নিশ্চিত করেছেন— ওই ছাত্ররা কেউই শিবির কর্মী নয়। হাসিবুর রহমান বলেন, ভুল বুঝাবুঝির জন্যে এমনটি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে স্বীকারোক্তি নেওয়ার পরই ছাত্রদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিবার নিশ্চিত করেছেন তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি আওয়াল কবির জয় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু সুন্দর রাখতে আমরা সর্বদা বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য গত বুধবার নেশার টাকা না পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা ৪ শিক্ষাথীকে মারপিটের পর শিবির কর্মী বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এরআগেও বঙ্গবন্ধু হলে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি তদন্তে নেশার বিষয়টি উঠে আসে।
গতকাল পাবনা সদর থানা থেকে তারা ছাড়া পেয়েছেন। থানা সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
"নেশার টাকা না পেয়ে চার ছাত্রকে মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ’— এমন সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা হাসিবুর রহমান ও বাংলা বিভাগের প্রধান মুচলেকা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নেন। তা
তারা পুলিশকে নিশ্চিত করেছেন— ওই ছাত্ররা কেউই শিবির কর্মী নয়। হাসিবুর রহমান বলেন, ভুল বুঝাবুঝির জন্যে এমনটি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে স্বীকারোক্তি নেওয়ার পরই ছাত্রদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিবার নিশ্চিত করেছেন তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি আওয়াল কবির জয় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুষ্ঠু সুন্দর রাখতে আমরা সর্বদা বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য গত বুধবার নেশার টাকা না পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা ৪ শিক্ষাথীকে মারপিটের পর শিবির কর্মী বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এরআগেও বঙ্গবন্ধু হলে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি তদন্তে নেশার বিষয়টি উঠে আসে।
