বিশেষ প্রতিনিধিঃ
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাবনায় মাধপুরে পাক হানাদার বাহীনির বিরুদ্ধে আজকের এই দিনে সংঘটিত হয় সম্মুখযুদ্ধ। মাধপুরের
সেই প্রতিরোধ যুদ্ধে ১৭ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ ৫০ জন নিরীহ গ্রামবাসী শহীদ হন।
১৯৭১ সালে ২৯ মার্চের এই দিনে ঈশ্বরদীর সীমানাবর্তী মাধপুর
গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাসী মিলে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ
গড়ে তোলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে।
দেশ
স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ২৯ মার্চ কে ঐতিহাসিক ‘মাধপুর
দিবস’ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধা ও এলাকাবাসি নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে
পালন করে আসছেন।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনের পর সাড়া দেশের মত ঈশ্বরদীতে মুক্তিযুদ্ধারা সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ কমিটি গড়ে উঠে। ২৯ মার্চ সকালে খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সড়কি, লাঠি-সোটা নিয়ে একযোগে মাধপুর রাস্তার বটগাছের কাছে পাকিস্তনি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর সম্মুখযুদ্ধ হয়। পাকবাহিনী বৃষ্টির মত গুলি চালায় সেখানে প্রথম শহীদ হন ঈশ্বরদী কলেজের ছাত্র রাজু।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনের পর সাড়া দেশের মত ঈশ্বরদীতে মুক্তিযুদ্ধারা সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ কমিটি গড়ে উঠে। ২৯ মার্চ সকালে খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সড়কি, লাঠি-সোটা নিয়ে একযোগে মাধপুর রাস্তার বটগাছের কাছে পাকিস্তনি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর সম্মুখযুদ্ধ হয়। পাকবাহিনী বৃষ্টির মত গুলি চালায় সেখানে প্রথম শহীদ হন ঈশ্বরদী কলেজের ছাত্র রাজু।
এ যুদ্ধে শহীদ হন আব্দুর রাজ্জাক, ওহিদুর রহমান, আব্দুল গফুর, নুরুল ইসলাম, আলী আহমেদ, নবাব আলী
মণ্ডলসহ ১৭ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ৫০ জন গ্রামবাসী। পরে
পাকিস্তানিবাহিনীরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ঈশ্বরদী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক নেতৃবৃন্দ জানান, ২৯ মার্চ মাধপুর যুদ্ধে যারা প্রাণ হারিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণে প্রতিবছর এখানে ওই দিন নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ঈশ্বরদী ও পাবনার মুক্তিযুদ্ধা ও গ্রামবাসীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ঈশ্বরদী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক নেতৃবৃন্দ জানান, ২৯ মার্চ মাধপুর যুদ্ধে যারা প্রাণ হারিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণে প্রতিবছর এখানে ওই দিন নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ঈশ্বরদী ও পাবনার মুক্তিযুদ্ধা ও গ্রামবাসীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
