পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চক্ষু বিভাগের রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, সিনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু) ডাঃ আমিনুল ইসলাম পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সপ্তাহে দু‘দিন আসেন। তিনি রবিবার ও বুধবার হাসপাতালে সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।
খোজ নিয়ে জানা যায়, সিনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু) ডাঃ আমিনুল ইসলাম পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সপ্তাহে দু‘দিন আসেন। তিনি রবিবার ও বুধবার হাসপাতালে সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।
অারো জানা যায়, তিনি রাজশাহীতে মক্কা চক্ষু হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেন। ১২ টা বাজলেই তিনি রাজশাহীতে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। ১২ টার পর কোন রোগী তার কাছে গেলে তিনি সে রোগীকে না দেখে চলে যান। এমনকি এ নিয়ে রোগীদের সাথে খারাপ আচরণও করেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জনৈক রোগী জানান তিনি ৩ জানুয়ারি/১৮ বেলা ১২ টায় আউটডোরের টিকিট নিয়ে ডাঃ আমিনুল ইসলামের চেম্বারে গেলে তাকে না দেখে তাকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়।
অপরজন ডাঃ আজিজুর রহমান আলম (চক্ষু) দীর্ঘ দিন যাবৎ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে উপস্থিত হন না। একই বিভাগের দু‘জন চিকিৎসকের কারনে সেবা নিতে আসা রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান, ডাঃ আজিজুর রহমান আলম দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তার বেতন ভাতা বন্ধের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। আর ডাঃ আমিনুল ইসলাম যে কাজটি করছেন তা সঠিক করছেন না। তিনি যেহেতু পাবনায় কর্মরত আছেন। তাই পাবনায় তাকে হাসপাতালে সময় দিতে হবে।
এ ব্যাপারে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান, ডাঃ আজিজুর রহমান আলম দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তার বেতন ভাতা বন্ধের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। আর ডাঃ আমিনুল ইসলাম যে কাজটি করছেন তা সঠিক করছেন না। তিনি যেহেতু পাবনায় কর্মরত আছেন। তাই পাবনায় তাকে হাসপাতালে সময় দিতে হবে।
