পাবনা প্রতিনিধিঃ
পাবনার সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ এবং মার্কেটিং বিভাগের ৩য় বর্ষের ফরম পূরনে খন্ডকালীন শিক্ষকের নাম করে অতিরিক্ত এক হাজার টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, কলেজের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং মার্কেটিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে লক্ষাধিক টাকা আদায় করা হয়েছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, কলেজের শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়ানো হলে তাদেরকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কোন বিধান নেই। উল্লেখ্য দুটি বিভাগে আসন সংখ্যা ১৩০ টি। ফরম পূরনের শেষ সময় হচ্ছে ৮ জানুয়ারি-২০১৭।
পাবনার সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ এবং মার্কেটিং বিভাগের ৩য় বর্ষের ফরম পূরনে খন্ডকালীন শিক্ষকের নাম করে অতিরিক্ত এক হাজার টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, কলেজের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং মার্কেটিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে লক্ষাধিক টাকা আদায় করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উক্ত বিভাগের ভূক্তভোগী
পরীক্ষার্থীরা জানান, রশিদ ছাড়া ২হাজার ৪শত টাকা করে আদায় করেছে যার মধ্যে
খন্ডকালীন শিক্ষকের নামে ১ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ভ’ক্তভোগী
পরীক্ষার্থীরা আরও জানান যে, খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে তাদের কোন ক্লাস নেওয়া
হয়নি। বছরে ২/১ টা ক্লাস হয়েছে। পরে শুধু একজন পিওন বিভাগ খুলে বসে থাকলেও
ক্লাস নেওয়ার কোন শিক্ষককে কখনো দেখা যায়নি। ২/১ ক্লাস হয়েছে যা এডওয়ার্ড
কলেজের শিক্ষকগণই নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান
মতিউল হক চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হলে, বরাবরের মত খন্ডকালীন শিক্ষকের জন্য ১
হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করলেও কোন খন্ডকালীন শিক্ষকের নাম
বলতে পারেননি তিনি। মার্কেটিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আশরাফ আলীকে মোবাইলে
ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ দিকে কলেজের অধ্যক্ষ ড.হুমায়ুন কবীর
মজুমদার জানান, কলেজের অন্য বিভাগ থেকে শিক্ষক নিয়ে উক্ত দুটি বিভাগের
ক্লাস নেওয়া হয়েছে। এ জন্য তাদেরকে কিছু কিছু করে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া
হয়েছে।একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, কলেজের শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়ানো হলে তাদেরকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কোন বিধান নেই। উল্লেখ্য দুটি বিভাগে আসন সংখ্যা ১৩০ টি। ফরম পূরনের শেষ সময় হচ্ছে ৮ জানুয়ারি-২০১৭।
